• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১০:৩৭ অপরাহ্ন

×
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান সম্পাদকের মায়ের মৃত্যুতে খুলনা টাইমস পরিবারের শোক রূপসা জাবুসায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস আহম্মেদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ: খুলনা মহানগর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সুজনের মায়ের ইন্তেকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত রামপালে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মা মেয়ে আহত অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “সবুজ পৃথিবীর সন্ধানে” প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান খুলনায় তিনদিনের কর্মসুচি – শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এঁর ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী খুমেক হাসপাতালের সামনে থেকে ৯টি দেশি অস্ত্র উদ্ধার যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন

পানিতে ভাসছে লক্ষাধিক টাকার বই

  • Update Time : শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৮৮ Time View

রাজধানীর বইয়ের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে পরিচিত নীলক্ষেতের বাকুশা হকার্স মার্কেটে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা ৭টা ৪৩ মিনিটে মার্কেটের লাভলী হোটেলে দ্বিতীয় তলা হতে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়, বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকান্ডে মার্কেটের প্রায় ৭০-৭৫টি বইয়ের দোকান পুড়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে এ ঘটনায় অন্তত কোটি টাকা মূল্যের সমপরিমাণ বই আগুনে পুড়ে ও ফায়ার সার্ভিসের পানিতে নষ্ট হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৮ টার দিকে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ১০ ইউনিটের চেষ্টায় রাত ৮ টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার। নীলক্ষেত বই মার্কেটে এর আগে ২০১৭ সালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল।

বই বাঁচাতে দোকানিদের আহাজারি

ফুটপাতের বই বিক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন, আগুনে হয়তো আমার বইগুলো পুড়তোনা কিন্তু এখন সব শেষ। অন্তত এক লাখ টাকার বই পানিতে ভিজে গেছে।

রোমেনা বেগম নামে এক নারী আহাজারি করে বলেন, সরকারের কারণেই আজকে এই অবস্থা। প্রতি বছর এখানে আগুন লাগে, তবুও সরকারের দৃষ্টি নেই। আজ আমার ছেলের বইয়ের দোকান শেষ হয়ে গেছে। আমি সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি করছি এবং আগামীতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ৯ লাখ টাকা লোন দিয়ে আমার ছেলে এই দোকান দিয়েছে। এখন এই লোন কে দেবে? সরকার কেন বিল্ডিং করে দেয় না, এই দায় সরকারের।

আগুন লাগার পর অনেক বই বিক্রেতা দোকান থেকে তাদের বই বের করে নিয়ে আসতে পারলেও, অধিকাংশই পারেননি। কিছু দোকানদার তাদের দোকান থেকে বই রাস্তায় এনে রাখেন। তাও ফায়ার সার্ভিসের পানিতে সেসব বই নষ্ট হয়ে যায়।

নিউমার্কেট থানার ডিউটি অফিসার শাহীনুর আক্তার বলেন, আগুন লাগার পর দ্রুতই ছড়িয়ে যায়। কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এবং পুলিশ সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যৌথ ভাবে কাজ করেছে।

 

ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টাফ অফিসার মো. শাহজাহান শিকদার বলেন, মার্কেটে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় দোকানিরা প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারেননি। যে কারণে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে আগুন ছড়িয়েছে। মার্কেটের লাভলি হোটেলের অংশ থেকে আগুন অন্য দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করতে কমিটি গঠন করা হবে।

দেশের সবচেয়ে বড় বইয়ের বাজার হিসেবে পরিচিত নীলক্ষেত বই মার্কেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজের পাশের এই মার্কেটটিতে সব সময়ই শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: BD IT SEBA