×

খুলনায় ছুটির দিনে বইমেলায় উপচেপড়া ভীড়

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৫ মার্চ, ২০২২
  • ১২০ পড়েছেন

শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটির দিন। তাই সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় এ দুই দিন বইমেলায় থাকে উপচে পড়া ভিড়। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও ভিড় জমাচ্ছে বই মেলায়।

বইমেলার বই সকল বয়স ও স্তরের মানুষের জ্ঞানের তৃষ্ণা মেটাচ্ছে। তাইতো সরকারি চাকরিজীবীরা ছুটির দিনে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে ভিড় করেছে বইমেলায়। তাই সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় এই দুই দিন বইয়ের প্রতিটি স্টলে বই পিপাসু ও বই বিক্রির হার ছিল উল্লেখযোগ্য।

প্রতিদিন বইমেলায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। তবে অমর একুশে বইমেলার ১৬ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখনো পরিপূর্ণতা পায়নি মেলার প্রতিটি স্টল। এ বিষয়ে ‘জননী গ্রন্থ কুটির’ স্টল মালিক মোঃ ইব্রাহীম বলেন, সর্বশেষ বই মেলায় দোকান মালিকেরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছিল। তাদের আসল টাকায় পূরণ করতে পেরেছিল না। তাই এবছর অনেকে বইয়ের দোকান দিতে ইচ্ছুক নয়। এছাড়া করোনায় অনেকে অর্থ সংকটের মুখে রয়েছে। এ বছরে বই বিক্রির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রথমে বই কম তুলেছিলাম কিন্তু ক্রেতার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পুনরায় বইয়ের অর্ডার দিয়েছি। তবে তিনি প্রচার প্রচারণা নিয়ে অভিযোগ তুলে বলেন, এবার প্রচার-প্রচারণায় কিছু ঘাটতি রয়েছে। প্রচারণার দিকে আরেকটু নজর দিলে মেলা আরো জমজমাট হত।

মেলায় প্রথমবারের মতো দোকান দেওয়া ‘সাহিত্য নিকেতন’ স্টলের মালিক খন্দকার বাপ্পি জানান, গতবছর বইমেলা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এ বছর বই পিপাসুদের মধ্যে বই কেনার বড় তৃষ্ণা লক্ষ্য করা গেছে। তাই বইমেলার মেয়াদ কিছুদিন বৃদ্ধি করলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য উপকার হবে।

এ বিষয়ে খুলনা সরকারি গ্রন্থাগারের উপ-পরিচালক মোঃ আহছান উল্যাহ বলেন, প্রচার-প্রচারনার ব্যাপারে অভিযোগের কোনো দিক নেই। ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি মাস আসলেই টিভি চ্যানেলসহ রেডিওতে একুশে বইমেলার প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়ে যায়। এবং এখনো প্রতিদিন অনেক টিভি চ্যানেল মেলায় এসে লাইভ করছে, পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হচ্ছে। আমার মনে হয় এর চেয়ে বেশি প্রচার-প্রচারণার প্রয়োজন পড়ে না। আর বইমেলার মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যাপারে আমরাও ইচ্ছুক। জেলা প্রশাসকের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করে পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

মেলার স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেলার প্রবেশপথেই পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। মাক্স ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। তবে প্রবেশের পরেই তারা মাস্ক খুলে ফেলছে। কেউ যদি তার নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন না হয়, তাকে হাজার বলেও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করা সম্ভব নয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: BD IT SEBA