• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৯:২৬ অপরাহ্ন

×
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা মহানগর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সুজনের মায়ের ইন্তেকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত রামপালে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মা মেয়ে আহত অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “সবুজ পৃথিবীর সন্ধানে” প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান খুলনায় তিনদিনের কর্মসুচি – শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এঁর ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী খুমেক হাসপাতালের সামনে থেকে ৯টি দেশি অস্ত্র উদ্ধার যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন “ত্রান চাইনা,টেকসই বেড়িবাঁধ চাই”  সরকার জরুরী ভিত্তিতে বেঁড়িবাঁধ সংস্কার করে জলবন্দি মানুষদের মুক্ত করবে-ভুমিমন্ত্রী  ঘূর্নিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় সার্বক্ষণিক পাশে রয়েছেন সরকার-ত্রান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিববুুর রহমান পাউবোর ব্যর্থতায় সহস্রাধিক মানুষের সেচ্ছাশ্রমে মেরামতের পর পরই ভেঙে গেল কয়রার বেঁড়িবাঁধ

কলারোয়ায় ওএমএস’র ডিলার বৃদ্ধির দাবী উপকারভোগীদের

  • Update Time : শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০২২
  • ১১৭ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী ওএমএস’র ডিলার বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছে  সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার উপকারভোগীরা। কলারোয়া পৌর সদরের ৯টি ওয়ার্ডের ৩টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর আওতায় অসহায় হতদরিদ্র মানুষের জন্য প্রদানকৃত স্বল্প মূল্যে ওএমএস’র ডিলার বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছেন কলারোয়া পৌর সদরের করোনাকালীন সময়ে বেকার ও অসহায় হতদরিদ্র মানুষেরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে কলারোয়া পৌর সদরের তুলসিডাঙ্গা, ঝিকরা পূজামন্ডপ বটতলা ও মুরারিকাটি ওএমএস ডিলারের দোকানে গুলোতে গ্রামবাসীর উপচেপড়া ভীড়। অনেক হতদরিদ্র ও করোনা কালীন সময়ে বেকার হওয়া অসহায় মানুষগুলো লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে চাল ও আটা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।

এব্যাপারে পৌরসভার ডিলার স. ম গোলাম ছরোয়ার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন-সপ্তাহে ৬দিন এই চাউল এবং আটা বিতরণ করছি। প্রতিদিন এক টন আটা ও দেড় টন চাল। করোনার কারনে এবছর অসহায় হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশী হওয়ায় আমরা ডিলারগণ বিতরণ করতে হিমসিম খাচ্ছি। চাল, আটার পরিমান বেশী হলে অথবা পৌরসভার অন্যান্যে ওয়ার্ডে ডিলার নিয়োগ করলে উপকারভোগীদের জন্য ভাল হতো।

ডিলার নজরুল ইসলাম এবং ডিলার নরেন্দ্র নাথ ঘোষও একই মতামত প্রকাশ করেছেন।

এদিকে কলারোয়া পৌরসভার মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল বলেন, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের অসহায় হতদরিদ্র মানুষেরা সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রকারের খাদ্য সহায়তা পেয়ে থাকেন। সে তুলনায় পৌরসভার অসহায় হতদরিদ্র মানুষেরা অনেক কম খাদ্য সহায়তা পাচ্ছেন। তাই ওএমএস’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পরিমান বৃদ্ধি ও কয়েকজন ডিলার নিয়োগ করলে পৌরসভার অসহায় হতদরিদ্র মানুষেরা উপকৃত হতো। তিনি আরো বলেন, ইউনিয়নে খাদ্য বিতরণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকলেও পৌরসভায় দীর্ঘ মেয়াদী কোন ব্যবস্থা নাই তাই পৌরসভার চলমান ওএমএস খাদ্য কর্মসূচী যেন হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে না যায় তার জন্য অসহায় পৌরবাসী দাবি জানিয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সহ সরকারের উদ্বর্তন কর্মকর্তাদের কাছে দাবী জানিয়েছেন করোনার কারনে বেকার হওয়া মানুষগুলো যেন দীর্ঘ মেয়াদে অল্প মূল্যে খাদ্যসহায়তা পায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: BD IT SEBA