×

ফলোআপ-২,বনমালী হত্যার ১৩ দিন; অধরা আসামীরা

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৮ জুলাই, ২০২৩
  • ৭২ পড়েছেন

গত ২৬ শে জুন খুলনার রেলষ্টেশন এলাকা থেকে বনমালী নামে একজন ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে খুলনা রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আসামীরা অধরা বলে আতঙ্কিত নিহতের স্বজনরা। পুলিশ বলছে তদন্ত এবং আসামী ধরতে সক্রিয় রয়েছেন তারা।
দায়েরকৃত মামলায় আসামীরা হলেন ১। অমিত ঘোষ (৫০), মালিক ঘোষ ট্রেডার্স, পিতা—অজ্ঞাত, ২। মিঠু ঘোষ (৪০) পিতা—অজ্ঞাত, ৩। মিতা (৩৫), স্বামী—অমিত ঘোষ, ৪। সঞ্জিব ঘোষ (৪৫),পিতা—অজ্ঞাত ৫। মোঃ মিন্টু (৩৫) পিতাঃ অজ্ঞাত সর্ব সাং— ঘোষ ট্রেডার্স কদমতলা ষ্টেশন রোড, খুলনা সদর খুলনা, ৬। সাধন ঘোষ (৫৫), পিতা— অজ্ঞাত, প্রোপাইটর কপোতাক্ষ ভান্ডার কদমতলা ষ্টেশন রোড, বড় বাজার খুলনাসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন।
ঘটনা সূত্রে, নিহতের নাম বনমালি মন্ডল(৩৫), পিতা— মৃত: যতিন মণ্ডল সাং—০৬ নং কয়রা, থানা—কয়রা, জেলা— খুলনা। তিনি ঘোষ ট্রেডার্স’র মালিক অমিত ঘোষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মাসিক বেতনে দীর্ঘদিন প্রায় ১১ বছর চাকুরী করতেন। এরপর অমিত ঘোষের প্রতিষ্ঠান হতে কাজ ছেড়ে দিয়ে নিজেই কদম তলা স্টেশন রোড এলাকায় পদ্মা ভান্ডার নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা— বানিজ্য করতে থাকেন। বনমালী গত ইংরেজী ২৫/০৬/২০ তারিখে বিকাল অনুমান ৩.০০ থেকে ৩.৩০ ঘটিকার সময় প্রতিদিনের মতো তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে না পৌছাইলে তার ম্যানেজারসহ বনমালীর স্ত্রী বার বার ফোনে কল দিতে থাকেন। কিন্তু রিং হলেও বনমালী ফোন ধরেন নাই। হঠাৎ করে সন্ধ্যা অনুমান ৭টা ১১ মিনিটে বনমালীর মোবাইল নাম্বার থেকে তার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হেমন্ত বাবুর মোবাইল ফোনে একটি মেসেজ আসে। ম্যানেজার হেমন্ত বাবু উক্ত মেসেজটি পড়ে বনমালীর স্ত্রীকে ম্যাসেজের ব্যাপারে জানান। ম্যাসেজটি হলো— ঐঊগঊঘঞঙ ইওকঅখঅ ৪.৩০ চঙজ কঅজঅ ঔঅঘঙ অগঅকঅ ঈঐঙক ইঅউঐঅ অঞকঅ জঅকঅঝঅ. অঘউঙকঅজ এঙজঊজ গঙউউঅ. অগঅজ চঐঙঘঊ ঝওখওঘঞ ঈওখঙ ঞঅও ঘওঞঅ চজঅঘও. ঙজঅ ইঙখঝঅ কঐটখঘঅ ঝঅজইও ঘঅঐঙখঊ গঅজঅ ঋঅখঅ ঐঙইঅ. অগও কটই কঙঝঞঙ কঙজঊ চঐঙঘঞঅ ইঊজ কঙজঊ ঞঙগঅকঊ ঔঅঘওখঅগ. কঙঞঐঅ ইঙখখঅ উঙজঅ চঙজঅ ঔঅইঙ, চঅঝঅ খঙক ইঙঝঅ. ঞঙগঊউঊজ ঝঅঞঐঅ ঐঙওঞঙ জ উঐঅকঅ ঐঙইঅ ঘঅ. উটখঅ ইঅওকঅ ইঙখঙ অগও ইওচঙউঅ অঝও. তখন বনমালীর স্ত্রী বিষয়টি জানতে পেরে ঘোষ ট্রেডার্স এর মালিক অমিত ঘোষের স্ত্রীকে ফোন করে বলে আমার স্বামীকে এবারের মত ছেড়ে দিন। আমি আমার বাচ্চা, স্বামী সহ আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুছিয়ে খুলনা হতে চলে যাবো। তখন অমিত ঘোষের স্ত্রী মিতা ঘোষ বলেন, তোমার স্বামীর শাস্তি পাওয়ার দরকার আছে। এ বলে কল সংযোগ বিচ্যুত করে দেন।
কেশব মন্ডল বলেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেছি। প্রকৃত অপরাধীরা অচিরেই ধরা পড়বে বলে তিনি আশা করেন। তিনি আরো বলেন, বনমালীর দুটি সন্তান কিছু বুঝে উঠার আগেই পিতৃহারা হলো। অসহায় অবস্থায় দিন পাড় করছে পরিবার। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে নিহতের বড় ভাই।
খুলনা রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, নিহতের বড় ভাই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ হত্যার কারন উন্মোচনে আমরা তদন্ত করছি এবং আসামী ধরতে তৎপর রয়েছি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: BD IT SEBA