রবিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দৈনিক খুলনা টাইমস এখন ৬ষ্ঠ বর্ষে খুলনা ডিএনসির অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার খুলনার সবজির বাজারে দামে স্বস্তি;কমেছে গোশ ও মাছের দাম  নির্বাচনের ট্রেন চলছে, কেউ থামাতে পারবে না : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা আমাকে এমপি না, জনতার সেবা করতে পাঠিয়েছেন : এস এম কামাল হোসেন ডলারের দাম আরও কমলো খুলনায় কয়লা ও গ্যাসসহ জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিশ্বব্যাপী নিরাপদ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিকী প্রদর্শন খুলনা—১ আসন: জনগণের জন্য কাজ করতে চান সাবেক এমপি ননী গোপাল নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আহসান হাবিব খান (অব:) এর খুলনা সফরসূচি বিএনপি নেতার ভাইয়ের ইন্তেকালে শোক

অভিযোগেও নকশা বহির্ভূত নির্মাণ কাজ অপসারণে ব্যবস্থা নিচ্ছে না‌ কেডিএ

দেশ প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৫০ পড়েছেন

কেডিএ’র উদাসীনতা ও অনিয়মে নগরীতে অপরিকল্পিত ভবনের জঞ্জাল, নাগরিক নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ 

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) উদাসীনতায় নগর জুড়ে গড়ে উঠছে অপরিকল্পিত ভবনের জঞ্জাল। পরিকল্পিত আধুনিক ও পরিবেশ বান্ধব বাসযোগ্য নগরী গড়তে সরকার কেডিএ প্রতিষ্ঠা করলেও দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে সুষ্ঠ পরিকল্পনা, মনিটরিং ও আইন বাস্তবায়নে অনীহার কারণে দিনকে দিন খুলনা বসবাস অযোগ্য মহানগরীতে পরিণত হচ্ছে। নগরীতে কেডিএর অনুমোদন দেয়া নকশা বহির্ভূত নির্মান কাজ করার অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্মকর্তারা। এমনকি অণৈতিক অর্থের বিনিময়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দিচ্ছে কেডিএ’র কর্মীরা। অভিযোগ রয়েছে, তারা শুধুমাত্র দায়সারা নোটিশ দিয়েই নিজেদের কাজ যেমন শেষ করছেন। তেমনি জমির মালিক ও আবাসন কোম্পানীর লোকজনের কাছে নকশা ও নিয়ম বর্হিভূত ভবন নির্মানের বিসয়ে অভিযোগকারীদের তথ্য ফাঁস করে বিবাদ তৈরী করছে অনিয়ম-দূর্নীতিতে জড়িত কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ফলে পরিকল্পিত আধুনিক ও পরিবেশ বান্ধব নগরী গড়ে তোলার কাযর্ক্রম অধরাই থেকে যাচ্ছে দাবী নাগরিক নেতাদের।

জানা গেছে, খুলনা মহানগরীকে আধুনিক, পরিবেশ বান্ধব ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ১৯৬১ সালে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) প্রতিষ্ঠা করে সরকার। এ প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন এলাকায় ভবন, বাণিজ্যিক ও আবাসিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণে শৃঙ্খলা আনতে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু ৬ দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ভবন নির্মাণ বিধিমালা যথাযথ বাস্তবায়ন করতে পারেনি কেডিএ। নগরবাসী ও নাগরিক নেতাদের অভিযোগ, কেডিএর দেয়া ভবন নির্মাণ নকশা অনুমোদনের পরেও সে অনুযায়ী কোন স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে না নগরীতে। শহরব্যাপী নকশা বহির্ভূত নির্মান কাজ করা হলেও তা অপসারণে কোন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেডিএ। এক্ষেত্রে কেডিএ কর্মকর্তাদের উদাসীনতা ও নিয়ম নীতি বহির্ভূত কর্মকান্ডকে দায়ী করছে নগরবাসী ও নাগরিক নেতৃবৃন্দ। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নগরবাসী, সুশিল সমাজ ও মিডিয়া কর্মীরা নিয়ম বহির্ভূত এসব নির্মাণের বিষয়ে অভিযোগ ও অবগত করলেও অদৃশ্য কারণে বা অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি নিয়ম বর্হিভূত ভবন নির্মাণকারী জমির মালিক বা বাড়ীর মালিকদের নিকট থেকে অনৈতিক সুবিধা নেয়া কেডিএ’র কর্মকর্তা কর্মচারীরা নিজেদেরকে দোষ ঢাকতে অভিযোগকারীদের নামও প্রকাশ করে বিপদে ফেলছেন বলে অভিযোগ ভূক্তভোগীদের।

কেডিএ কতৃর্পক্ষ বরাবর দেয়া অভিযোগে জানা গেছে, নগরীর শের-এ-বাংলা রোডের ৩০৩ নং হোল্ডিংয়ের মালিক শাকিল আহমেদ রাজা ভবন নির্মাণে ২০১৯ সালে কেডিএ থেকে এনওসি এবং নকশা অনুমোদনের আবেদন করে। গত ২০২০ সালের ২৩ নভেম্বর নগরীর ২৬নং ওয়ার্ডের ৩০৩ শেরেবাংলা রোডে রাবেয়া ভবন নামে সেমি বেজমেন্টসহ ৯তলা বাণিজ্যিক-কাম আবাসিক বহুতল ভবনের নির্মান কাজের অনুমোদন দেয়া হয়। নির্মাণ কাজের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবনের সামনে শেরে বাংলা রোডের দিকে ৫ ফুট, ভবনের দক্ষিণ দিকে রাস্তা সম্প্রসারণসহ ১২ ফুট ১০ ইঞ্চি, ভবনের উত্তর দিকে ৪ ফুট খালি জায়গা রেখে এবং সেমি বেজমেন্টসহ ভবন নির্মাণের নির্দেশনা দেয়া হয়। পরে জমির মালিক ও ডেভেলপার কোম্পানি গ্রীণবাংলা হাউজিং যৌথভাবে জাফির টাওয়ার নামে ভবন নির্মাণ শুরু করে। কিন্তু ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান গ্রীণবাংলা হাউজিং ও শাকিল আহমেদ রাজা গংরা ভবনের সামনে শেরে বাংলা রোডের দিকে ৫ ফুটের কম রাখা হয়েছে। ভবনের দক্ষিণ দিকে রাস্তা সম্প্রসারণসহ ১২ ফুট ১০ ইঞ্চি স্থলে মাত্র ৪ ফুট জায়গা রেখে নির্মাণ কাজ করেছে। এছাড়া ভবনের উত্তর দিকে ৪ ফুটের স্থলে ৩ ফুট ৩ ইঞ্চি জায়গা রেখে ভবন নির্মাণের কাজ করে। এমনকি ভবনটিতে সেমি-বেজমেন্ট নির্মাণের নির্দেশনা থাকলেও তা করা হয়নি। স্থাণীয় এলাকাবাসী ও জমির মালিকের অন্য শরিকরা নকশা বহির্ভূত নির্মাণ কাজের বিষয়ে কেডিএর কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। পরে এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়ে কেডিএ কর্তৃপক্ষ সরেজমিন পরিদর্শনে নকশা বহির্ভূত নির্মাণ কাজ করার সত্যতা পায়। এবং ২০২৩ সালের ১১ মে কেডিএ কর্তৃপক্ষ জমির মালিক শাকিল আহমেদ রাজা ও গ্রীনবাংলা হাউজিংসহ সংশ্লিষ্টদের অননুমোদিত স্থাপনা ০৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার নির্দেশসহ শোকজ নোটিশ দেয়। কেডিএ কর্তৃপক্ষের শোকজ নোটিশ পাওয়ার প্রায় দেড় মাস সময় অতিবাহিত হলেও গ্রীণবাংলা হাউজিং ও শাকিল আহমেদ রাজাগংরা নোটিশের কোন জবাব দেয়নি। এমনকি তারা কাজও বন্ধ করেনি। এদিকে, শোকজ নোটিশের জবাব যথাসময়ে না দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা। একইসাথে কেডিএ কতৃর্পক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে অননুমোদিত স্থাপনা ভেঙে ফেলাসহ ভবন নির্মাণের নকশা বাতিলের উদ্যোগ নেয় সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তারা। একই সাথে ওজোপাডিকো খুলনার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্মাণাধীন ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অনুরোধ করা হয়েছিল। তারপরও নকশা বহির্ভূত নির্মাণ কাজ অপসারণ না করায় গত ২২ জুন জমির মালিক শাকিল আহমেদ রাজা ও গ্রীনবাংলা হাউজিংসহ সংশ্লিষ্টদের অননুমোদিত স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশসহ শোকজ নোটিশ দেয় কেডিএ। অন্যথায় নকশা বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়। তবে প্রায় ৩ মাস অতিবাহিত হলেও কেডিএ জাফির টাওয়ারের নকশা বহির্ভূত নির্মাণ কাজ অপসারণের কোন উদ্যোগ নেয়নি।

এছাড়া, নগরীর ৫০নং হাজী মহসিন রোডের এ্যাড. মো. আবুল হোসেনের অনুমোদনহীন নির্মানাধীন বাড়ি সর্ম্পকে কেডিএ কর্তৃপক্ষ এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে ২০২২ সালের ১৯ ডিসেম্বর অননুমোদিত নির্মাণ কাজ বন্ধ ও ভেঙে ফেলার নোটিশ প্রদান করে। পরবর্তীতে আরো কয়েকটি নোটিশ দিলেও কোন অদৃশ্য কারণে পরবর্তীতে আর কোন পদক্ষেপ নেয়নি কেডিএ কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এ্যাড. আবুল হোসেন অনুমোদনহীন বাড়িটির একতলার নির্মাণ কাজ শেষ করে দ্বিতীয় তলার নির্মান কাজ করছেন বলে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন এলাকাবাসীর।

একইভাবে নগরীর বেনী বাবু রোডের ৫নং হোল্ডিংয়ে নির্মিত আব্দুল্লাহ ম্যানসন নামক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হলেও সেখানে অনুমোদিত নকশা মানা হয়নি। সড়কের দিকে ভবনের সামনে নীতিমালা অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৫ ফুট জায়গা খোলা রাখার নির্দেশনা থাকলেও ভবন মালিক সেখানে দোকান তৈরি করেছেন। এছাড়া লোয়ার যশোর রোডের পিকচার প্যালেস মোড় সংলগ্ন নবনির্মিত যাদব ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডারের নিচ তলায় নকশানুযায়ী গ্যারেজ রাখার কথা থাকলেও সেখানে কোন গ্যারেজ রাখা হয়নি। এ বিষয়ে কেডিএতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ জানালেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তবে নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটির নকশা অনুমোদন ও তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্তদের দাবি, অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেন তারা।

কেডিএ’র অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী জি.এম মাসুদুর রহমান জানান, কিছুদিন আমাদের অভিযান বন্ধ ছিল। তবে শীঘ্রই আমরা অভিযান শুরু করবো। যেসব ভবন মালিকদের নকশা বহির্ভূত নির্মান কাজ অপসারণের জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কেডিএর নীতিমালা অনুযায়ী আইনানূগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কেডিএ পরিচালনা বোর্ডের সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) শবনম সাবা জানান, কেডিএ নকশা বহির্ভূত নির্মান কাজ অপসারণের কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিষয়টি সঠিক নয়। আমরা প্রায়ই নগরীর বিভিন্ন স্থানে নকশা বহির্ভূত নির্মান কাজ অপসারণের ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে এক্ষেত্রে আমাদের জনবলের স্বল্পতা রয়েছে। আমাদের পযার্প্ত সংখ্যক পরিদর্শক নেই। যার পরিপ্রেক্ষিতে নগর জুড়ে আমরা মনিটরিংও করতে পারছি না। তবে যাদেরকে নোটিশ দেয়া হয়েছে আগামী সপ্তাহ থেকে আমরা সেসব নকশা বহির্ভূত নির্মান কাজ ও কেডিএর অনঅনুমোদিত নির্মান কাজ অপসারণে অভিযান শুরু করবো। পরিকল্পিত নগরী গড়তে কেডিএ কাউকেই ছাড় দেবে না।

কেডিএ’র চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মিরাজুল ইসলাম জানান, আমরা খুলনা নগরীতে ভবন নির্মাণে শৃঙ্খলা আনতে সবার্ত্নক চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু জনবল সংকটের কারনে কাজগুলো সময় মতো করা সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলে সকল কাজ নীতিমালা অনুযায়ী সঠিকভাবে করা সম্ভব হবে। এছাড়া কেডিএ আওতাভুক্ত এলাকায় ভবন নির্মান নীতিমালা নতুনভাবে সংশোধন ও পরিমার্জন করা হচ্ছে। এ নীতিমালার আলোকে নগরীতে কোন নিয়মবর্হিভুত ভবন নির্মানের সুযোগ নেই। সবাইকে কেডিএ’র নীতিমালা মেনেই ভবন করতে হবে। এজন্য কেডিএ যথাসম্ভব কঠোরতা অবলম্বন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) খুলনার সভাপতি আইনজীবী কুদরত-ই-খুদা বলেন, গৃহ নির্মাণ নীতিমালা ও কেডিএ-এর অনুমোদিত নকশার বাইরে যদি কোন ভবন মালিক বা প্রতিষ্ঠান কাজ করে তাহলে তা অবশ্যই অপরাধ। কেডিএর অবস্থান কঠোর থাকলে কোনও ভবন নকশার ব্যাত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণ হতে পারে না। এখানে আইনের দিক থেকে কোনও ঘাটিত নেই। কেডিএর লোকজন একেবারেই অপযার্প্ত সেটাও নয়। সদিচ্ছা থাকলে কম লোকবল দিয়েও ভালো কিছু করা যায়। কেডিএর আন্তরিকতার অভাবে দিনকে দিন খুলনা নগরী অপরিকল্পিত ভবনের জঞ্জালে পরিণত হচ্ছে। পরিকল্পিত আধুনিক ও পরিবেশ বান্ধব বাসযোগ্য নগরী গড়তে সরকার কেডিএ প্রতিষ্ঠা করলেও দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে সুষ্ঠ পরিকল্পনা, মনিটরিং ও আইন বাস্তবায়নে অনীহার কারণে দিনদিন খুলনা বসবাস অযোগ্য মহানগরীতে পরিণত হচ্ছে। নগরীতে কেডিএর অনুমোদন দেয়া নকশা বহির্ভূত নির্মান কাজ করে গেলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্মকর্তারা এটা অনেক দিনের অভিযোগ। শুধুমাত্র দায়সারা নোটিশ দিয়েই নিজেদের কাজ শেষ করছেন তারা। আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে সকল ধরণের স্থাপনা নির্মাণে আইনানূগ কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে নগরীর নির্মাণ কাজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা বেআইনি অর্থের বিনিময়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির নজির স্থাপন করা গেলে নকশার ব্যাত্যয় হওয়ার ঘটনা কমিয়ে এনে পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন এ নাগরিক নেতা। ##

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরনের আরো সংবাদ

Categories

© All rights reserved © 2019 LatestNews
Hwowlljksf788wf-Iu