• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন

×
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত রামপালে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মা মেয়ে আহত অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “সবুজ পৃথিবীর সন্ধানে” প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান খুলনায় তিনদিনের কর্মসুচি – শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এঁর ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী খুমেক হাসপাতালের সামনে থেকে ৯টি দেশি অস্ত্র উদ্ধার যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন “ত্রান চাইনা,টেকসই বেড়িবাঁধ চাই”  সরকার জরুরী ভিত্তিতে বেঁড়িবাঁধ সংস্কার করে জলবন্দি মানুষদের মুক্ত করবে-ভুমিমন্ত্রী  ঘূর্নিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় সার্বক্ষণিক পাশে রয়েছেন সরকার-ত্রান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিববুুর রহমান পাউবোর ব্যর্থতায় সহস্রাধিক মানুষের সেচ্ছাশ্রমে মেরামতের পর পরই ভেঙে গেল কয়রার বেঁড়িবাঁধ পরমানু বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়ার জন্মবার্ষিকী খুলনায় ‘দেশের অগ্রগতিতে বিজ্ঞান চর্চা’ শীর্ষক আলোচনা সভা

শ্রদ্ধা-ভালোবাসা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১০৬ পড়েছেন

খুলনায় শ্রদ্ধা-ভালোবাসা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২৩ উদ্যাপিত হয় গত শনিবার। এ উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল­ামারী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। প্রত্যুষে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হয়।  

গল্লামারী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মহানগর ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, কেসিসি’র মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ, পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক, রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, সরকারি- বেসরকারি দপ্তর, খুলনা বেতার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আ’লীগ এবং এর অংগ ও সহযোগি সংগঠন, খুলনা প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ। পরে সেখানে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার প্রধান অতিথি হিসেবে কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক, রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান এম সময় উপস্থিত ছিলেন।

নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস, পিআইডি’র আয়োজনে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের ওপর স্থিরচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দুপুরে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা এবং ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বিজয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি জয়দেব চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংবিধান প্রণেতা এড. এনায়েত আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সরদার মাহাবুবার রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোঃ আলমগীর কবীর। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ ও প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা নতুন প্রজন্মের নিকট জাতীয় পতাকা হস্তান্তর করেন।

নৌ-বাহিনীর জাহাজ জনসাধারণের দর্শনের জন্য বিআইডব্লিউটিএ রকেট ঘাটে বেলা দুইটা হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত  উন্মুক্ত রাখা হয়। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা ও উপজেলা সদরে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, ক্রীড়া অনুষ্ঠান, টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, ফুটবল ও কাবাডি খেলার আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিনেমা হলে বিনা টিকিটে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর ও ফুলতলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক বিরোধী জনমত সৃষ্টির জন্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা-বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য-দীর্ঘায়ু, জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বাদযোহর মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বিকেল তিনটায় নারীদের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা সভা এবং বিকেল সাড়ে তিনটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে কেসিসি বনাম জেলা প্রশাসন একাদশের মধ্যে প্রদর্শনী ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা তথ্য অফিস শহিদ হাদিস পার্ক, শিববাড়ি মোড় এবং দৌলতপুর শহিদ মিনার চত্বরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করে। পূর্ব রূপসাঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের মাজার প্রাঙ্গণে তাঁর বীরত্ব ও মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও দিবসটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পৃথক পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে।

 

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশন : দিবস উপলক্ষে প্রত্যুষে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে গল­ামারী শহিদ স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে আয়োজিত কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন।  সকাল ৯টায় সিটি মেয়র, মেয়র প্যানেলের সদস্য, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে নগর ভবনে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও কিশোর-কিশোরীদের রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম-সচিব) লস্কার তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কেসিসি’র মেয়র প্যানেলের সদস্য, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর, কর্মকর্তা ও সর্বস্তরের কর্মচারীগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি পালন উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, নগরীতে আলোকসজ্জা করা হয়। এছাড়া খালিশপুরস্থ ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক ও গল­ামারীস্থ লিনিয়র পার্কে শিশুদের বিনামূল্যে প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।

বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে কেসিসি ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় জেলা প্রশাসন জয়লাভ করে। সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সম্মুখে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রাসহ ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য অদম্য বাংলা চত্বরে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) উপস্থিত ছিলেন। এরপরই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, বিভিন্ন ডিসিপ্লিন, বিভিন্ন আবাসিক হল, শিক্ষক সমিতি, শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠন, অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ, কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের অ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠন এবং আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা এবং আবাসিক হলগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : দিবস  দিবসটি উপলক্ষে বেলা পৌনে ১১টায় অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা ও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের অংশগ্রহণে শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ সাহিদুল ইসলাম। আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন বিশ^বিদ্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর’ প্রফেসর ড. খুরশীদা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মতিন এবং সঞ্চালনা করেন জনসংযোগ ও তথ্য শাখার সহকারী পরিচালক মনোজ কুমার মজুমদার।

সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসস্থ মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘দুর্বার বাংলা’র পাদদেশে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় বিএনসিসি’র একটি চৌকস দল সশস্ত্র সালাম জানান। এরপর পরই জাতির সূর্য সন্তান শহিদদের প্রতি বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ডীনবৃন্দ ও বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর। অতঃপর শিক্ষক সমিতি, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), অফিসার্স এসোসিয়েশন, ফজলুল হক হল, লালন শাহ্্ হল, খানজাহান আলী হল, ড. এম এ রশীদ হল, রোকেয়া হল, অমর একুশে হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা সমিতি (আপগ্রেডেশন), কর্মচারী সমিতি, মাস্টাররোল কর্মচারী সমিতি ও খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুলের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এছাড়া, দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবন, ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাসভবন এবং আবাসিক হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় গণসঙ্গীত, বেলা সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শিক্ষক বনাম ছাত্র প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং বাদ আসর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া এবং সন্ধ্যায় অডিটরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় : দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায়পালনে উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে বিশ^বিদ্যালয়ের ডিনবৃন্দ এবং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সকাল সাড়ে ৯টায় গল­ামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে উপাচার্যের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জেডএ মাহমুদ ডন আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন।
সভায় উপাচার্য বক্তব্যের শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার ও চর্চা করার এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে একত্রে কাজ করার আহŸান জানান। তিনি শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা স্থাপন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তিনটি ইয়াতিমখানার শিশুদের জন্য দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়।
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকালে দৌলতপুরের দেয়ানায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস-১ এ জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী,  ট্রেজারার প্রফেসর সারোয়ার আকরম আজিজ, রেজিস্ট্রার ডাঃ খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার শাজাহান, গণতান্ত্রিক অফিসার্স পরিষদের সভাপতি ডাঃ সাইফুল­াহ মানছুর ও সাধারণত সম্পাদক খান জাবিদ হাসান এবং খুকৃবি ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম তানসেন ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যসহ সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ, বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এর আগে ভোর ৬টায় যথাক্রমে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া পুষ্পস্তবক পরবর্তী উপাচার্য পায়রা উড়িয়ে বিজয় দিবসের কার্যক্রম উদ্ধোধন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিজয় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া খুকৃবি ছাত্রলীগের উদ্যোগে দেয়ালিকা প্রকাশের কার্যক্রমকে স্বাগত জানানো হয়। দুপুর ১২টায় সকল শহিদের স্মরণে দোআ ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি : দিবসটি উপলক্ষে গল­ামারী স্মৃতিসৌধে সকাল সাড়ে ৯টায় পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের মাঝে কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোঃ তবিবার রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ নওশের আলী মোড়ল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর কানাই লাল সরকার। বক্তৃতা করেন ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ আনিসুর রহমান, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক এস এম রিয়াজুর রশীদ, সহকারি অধ্যাপক শেখ মাহরুফুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইফফাত তাসনিম রচিতা।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল­া বিশ্ববিদ্যালয় : দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালনে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অংশ গ্রহণে র‌্যালি, গল­ামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আর্শেদ আলী মাতুব্বরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহমুদ আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহেদ আকন্দ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. কাজী মোকলেছুর রহমান। আলোচনা সভায় আরো বক্তৃতা করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল আমিন মোল­া, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহফুজুর রহমান ও সেকশন অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক সানজিদা তাসনিম।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ : দিবসটি উপলক্ষে  রাত ১২টা ০১ মিনিটে মোংলা বন্দরে অবস্থানরত সকল জাহাজে এক মিনিট বিরতিহীনভাবে হুইসেল বাজানো এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা ও বন্দরের পতাকা উত্তোলন করা হয়। মোংলাস্থ স্মৃতিসৌধে চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মীর এরশাদ আলী ওএসপি এনপিপি এনডিসি পিএসসি, মবক কর্তৃক বন্দরের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড অফিসে চেয়ারম্যান, মবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্তৃক যথাক্রমে জাতীয় পতাকা এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পতাকা উত্তোলন, বিভিন্ন মসজিদ/ধর্মীয় উপাসনালয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত/ বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির দ্বিতীয় ভাগে মবক স্বাধীনতা চত্বরে মবক’র অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে সংবর্ধনা প্রদান এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বিজয় দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মবক চেয়ারম্যান মোংলা বন্দরের অবসরপ্রাপ্ত ৩২ বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যেককে সম্মানী দশ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান, ২২০০ টাকা মূল্যমানের খাদ্য সামগ্রী এবং ৩০০ টাকা সমমূল্যের বন্দরের লোগোযুক্ত ১টি করে মগ উপহার প্রদানসহ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। আলোচনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে মবক’র সদর দপ্তরের সামনে স্থানীয় বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের গরীব ও দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন মোংলা বন্দর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মোংলা এবং পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনায় ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা আবৃত্তি ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মবকের হাসপাতালে ভর্তিরত রোগীদের জন্য উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ : দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে  খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কেডিএ ভবনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয়  পতাকা উত্তোলন করা হয়। সূর্যোদয়ের পরপরই গল­ামারিস্থ  স্মৃতিসৌধে  কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মিরাজুল ইসলাম, এএফডব্লিউসি, পিএসসি’র নেতৃত্বে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। পুষ্পমাল্য অর্পণে অংশগ্রহণ করেন কর্তৃপক্ষের  সার্বক্ষণিক সদস্যবৃন্দ, সচিব, প্রধান প্রকৌশলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। বাদ যোহর কেডিএ জামে মসজিদে সকল শাহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়ার আয়োজন করা হয়। শিববাড়ী মোড় হতে কেডিএ  এভিনিউ দিয়ে ময়লাপোতা হতে গল­ামারী পর্যন্ত জাতীয় পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হয়। রাতে অফিস ভবন ও কেডিএ নিউ মার্কেট আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয় ।
খুলনা নৌ অঞ্চলসমূহ: দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে শনিবার বাদ যোহর নৌ অঞ্চলসমূহের মসজিদে স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাৎবরণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি কেন্দ্র করে নৌবাহিনী পরিচালিত স্কুল ও কলেজসমূহে বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ আলোচনা সভা, আবৃত্তি, কুইজ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
দিবসটি যথাযথভাবে পালনের অংশ হিসেবে খুলনা অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন ও বীর বিক্রম শহিদ মহিবুল­াহ্’র মাজারে ‘গার্ড অব অনার’ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিআইডব্লিউটিএ রকেট ঘাট খুলনা, দিগরাজ মোংলা নেভাল জেটি, বিআইডব্লিউটিএ ঘাট বরিশাল এবং পায়রা বন্দর পটুয়াখালীতে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
আনসার ও ভিডিপি খুলনা রেঞ্জ : দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। দিবসটি আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী খুলনা রেঞ্জ ও জেলা যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করে। এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল­ামারী স্মৃতিসৌধে খুলনা রেঞ্জের উপ-মহাপরিচালক শাহ্ আহমদ ফজলে রাব্বী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা রেঞ্জের পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম পিএইচডি, পরিচালক ৩ আনসার ব্যাটালিয়ন, মোল­া আবু সাইদ ও জেলা কমান্ড্যান্ট খুলনা মোঃ সাইফুিদ্দন।  সকাল ১০টায় আনসার ও ভিডিপি রেঞ্জ কার্যালয়ের সভাকক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ভিত্তিক প্রমাণ্যচিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।  এদিন বাদ যোহর নামাজের পর বিশেষ মোনাজাত করা হয়।  উপ-মহাপরিচালক দুপুরে খুলনা রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন।
খুলনা জিপিও : দিবস উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী ফিলাটেলিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকাল ১০টায় জিপিও ভবনে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগ দক্ষিণাঞ্চল খুলনার পোস্টমাস্টার জেনারেল মোঃ শামসুল আলম। প্রদর্শনী উদ্বোধনের পর অতিথিবৃন্দ কালেক্টর জি কে এম লুৎফর রহিম, এম এম হাসান সোহেল, এম এ রশিদ, লাল্টুসহ  ছয়জন কালেক্টরের সংগ্রহশালায় অনুষ্ঠান স্টলে প্রদর্শিত ডাক বিভাগের দুর্লভ ডাকটিকিট, খাম, হারিকেনসহ ডাকবিভাগের পুরাতন কিছু সরঞ্জাম ঘুরে ঘুরে দেখেন খুলনা জিপিওর সিনিয়র পোস্টমাস্টার জেনারেল জুবাইদা গুলশান আরার সভাপতিত্বে এবং ডাক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মোঃ সুলতান হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফিলাটেলিক স্টাডিজ এর চেয়ারম্যান প্রফেসর সিদ্দিক মাহমুদুর রহমান।
কাম ফর আনপ্রিভিলেজ্ড চাইল্ড খুলনা : বিজয় দিবস উদযাপন ও বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত রোববার বিকেল ৪টায় সিইউসি স্কুল প্রাঙ্গনে সংগঠনের সভাপতি মোঃ শাহিন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক বিপিএম (বার), পিপিএম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাবিরুল আলম, নাসিব খুলনার সভাপতি মোঃ ইফতেখর আলী বাবু, সিইউসির উপদেষ্টা মোঃ সুজন আহমেদ,  তিতাস গ্র“প এন্ড কোম্পানি খুলনার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইউসির উপদেষ্টা মোঃ রায়হান আহম্মেদ তাসিন, দিলারা নাসরিন, প্রেসিডেন্ট, লায়ন্স ক্লাব অব খুলনা সুন্দরবন,  মোঃ মাসুদুর রহমান মন্টা ও মোঃ ইলিয়াস হোসেন লাবু। অনুষ্ঠানে স্ব^াগত বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমদাদ আলী। পরে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতি শিক্ষার্থী ও উত্তীর্ণ  সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক ও আগত অতিথিবৃন্দ ।
খুলনা প্রেসক্লাব : দিবস উপলক্ষে শনিবার সকালে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।  আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের  সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা।  বক্তৃতা করেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ, মলি­ক সুধাংশু, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, সুনীল কুমার দাস, মোঃ শাহ আলম, মোঃ আব্দুল হালিম, শেখ মাহমুদ হাসান সোহেল, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু, শেখ আব্দুল­াহ ও দিলীপ কুমার বর্মন প্রমুুখ। এর আগে ১৬ ডিসেম্বর সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ গল­ামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি : দিবস উপলক্ষে সকাল ৬টায় গল­ামারী স্মৃতিসৌধে মাল্যদান, সকাল ১০টায় আইনজীবী সমিতিতে পতাকা উত্তোলন ও মাল্যদান করেন সমিতির সভাপতি এড. মোঃ সাইফুল ইসলাম। পরবর্তীতে শিশুদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃতি ও আইনজীবীবৃন্দের মধ্যে কবিতা আবৃতি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. এস এম তারিক মাহমুদ তারা, সিনিয়র আইনজীবী এড. কাজী বাদশা মিয়া, এড. আইয়ুব আলী শেখ, এড. বিজন কৃষ্ণ মন্ডল, এড. এনামুল হক, এড. কে এম ইকবাল হোসেন, এড. কে এম মিজানুর রহমান, এড. শিরিন আক্তার পপি, এড. সাবিত্রী চক্রবর্তী, এড. অলোকানন্দ দাস, এড. মোশারফ হোসেন, এড. এম এম সাজ্জাদ আলী, এড. সিকদার হাবিব, এড. সমীর ঘোষ, এড. নব কুমার চক্রবর্তী, এড. মোল­া আবেদ হোসেন, এড. আহাদুজ্জামান, এড. স্বপন দাস, এড. হেমন্ত সরকার, এড. মোল­া ফরিদ আহমেদ,  এড. মোল­া সেলিম রশিদ, এড. শেখ মোহাম্মদ আলী, এড. আনোয়ারা মমতাজ আন্না, এড. সাকেরিন সুলতানা, এড. কৃষ্ণকুমার দত্ত, এড. সেলিনা আক্তার পিয়া, এড. নাসরিন নাহার পেস্তা, এড. আশরাফ আলী পাপ্পু, এড. তমাল কান্তি ঘোষ, এড. খোরশেদ আলম, এড. অশোক গোলদার, এড. উল­াস কর বৈরাগী, এড. কাজী সাইফুল ইমরান, এড. মোঃ আসাদুজ্জামান গাজী মিল্টন, এড. রথীন্দ্রনাথ সরদার, এড. তাপস রাহা, এড. আব্দুল জলিল, এড. মতিয়ার রহমান, এড. মিল্টন বাগচীসহ আরো অনেকে।
বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশীপ পাওয়ার কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল) :  দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে রামপাল পাওয়ার প্লান্টের প্রকল্প কার্যালয় এবং ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।  এদিকে বিজয় দিবসে বিআইএফপিসিএল’র প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ একরাম উল­ার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া রামপাল পাওয়ার প্লান্টের প্রকল্প কার্যালয়ে বিজয় দিবসে বিজয় র‌্যালীর আয়োজন করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এসব অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক অতনু দত্তের নেতৃত্বে সিজিএম শান্তুনু কুমার বিশ্র, মহাব্যবস্থাপক (এইচ আর) মঙ্গলা হারিন্দ্রার, ব্যবস্থাপক (এইচ আর) জি এম তারিকুল ইসলামসহ দেশি-বিদেশেী পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএমএ খুলনা : দিবসটি পালন উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় গল­ামারী স্মৃতিসৌধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সকাল ৯টায় বিএমএ ভবনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু’র ম্যূরাল এবং শহিদ চিকিৎসকদের নাম ফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা বিএমএ ভবনের কাজী আজহারুল হক মিলনায়তনে নির্ধারিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমএ খুলনার সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম। বিএমএ খুলনার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মেহেদী নেওয়াজের সঞ্চলনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন ডাঃ মোল­া হারুন অর রশীদ, ডাঃ পলাশ কুমার দে, ডাঃ মোঃ মহিবুল হাসান খান, ডাঃ আনোয়ারুল আজাদ, অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার চৌধুরী, ডাঃ ইউনুচ উজ্জামান খান তারিম,ডাঃ ফিরোজ হাসান প্রমুখ। এছাড়া বিএমএ খুলনা শাখা পরিচালিত বিনোদিনী স্মৃতি হাসপাতালের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ : দিবস উপলক্ষে গত শনিবার সকাল ৭টার দিকে খুলনার গল­ামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক এম এম আজিজুর রহমান রাসেল, মোঃ রেজাউল ইসলাম রাজা, এফ এম হাবিবুর রহমান, মোঃ মঈনউদ্দিন মাসুদ রানা, আব্দুল মান্নান শেখ, শেখ মাহমুদুন্নবী মিল্টন, সুরজিৎ মন্ডল, মোঃ ওহিদুজ্জামান, মোঃ আবু সাঈদ খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম রুবেল, মোঃ শফিকুল ইসলাম সোহাগ, স্বপন কুমার রায়, এস এম তানভীর রহমান অপু, কাজী মাহবুব, ইয়াছির আরাফাত, রবিউল ইসলাম শাওন প্রমুখ।
খুলনা জেলা মৎস্যজীবী লীগ : জেলা আ’লীগের কার্যালয়ে রোববার বিকেল দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং বক্তৃতা করেন জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি হাজী সাইফুল খান। সভা পরিচালনা করেন জেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ ফিরোজ ইব্রাহীম তন্ময়। সভায় বক্তৃতা করেন মোঃ মাজাহারুল আলম, নাজিয়া আহম্মেদ, ডাঃ ধ্র“ব দাস, আব্দুল­াহ মেজবাহ, কানাই রায়, সাইমন মুন্সী, মাহামুদ খান রিয়াদ, সাব্বির হোসেন, মোঃ আসাদ, সাব্বির আহম্মেদ, মোঃ মিলন, সাইফুল ইসলাম নয়ন, মেহেদী হাসান, বিপ্লব দে, জনী তালুকদার, মোসাঃ রুমকি, কায়নাত হোসনে, আজিজ শেখ, আলাউদ্দিন আলাল, তুহিন হাওলাদার প্রমুখ
খুলনা বসুন্ধরা শুভসংঘ : মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধে সব শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। শনিবার সকাল ৭টার দিকে খুলনার গল­ামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তারা।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ খুলনা জেলা সভাপতি বিপুল কান্তি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ খান, শেখ মোঃ রাসেল, কাজী মাহবুব, নজীর আহমেদ, রাজীব সরকার রাহুল, মোহাইমিনুল ইসলাম মাহিন, ইয়াছিন আরাফাত, আরিফুল ইসলাম, স্বপন কুমার রায়, রিপন শেখ, নয়ন, প্রণব, শুভ, উৎপল প্রমুখ।
খুলনা সাইক্লিং কমিউনিটি : শনিবার সকাল ৮টায় খুলনায় ১৬ জন যুবকের ৫২ কিমি সাইক্লিং-য়ে শোভাযাত্রাটি খুলনা নিউ মার্কেট থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে টিমটি তাদের শোভাযাত্রা রূপসাতে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সমাধিতে শেষ করে। শোভাযাত্রা পরবর্তীতে তারা বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সকল শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ও দোয়া করেন। এর পাশাপাশি টিমের একজন সদস্য মোঃ ফাজলে রাব্বি চৌধুরী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ কিঃমিঃ রানিং করেন।
খুলনা মহানগর ও জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগ : দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব মিয়ার সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৪টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাবু রনজিত কুমার ঘোষ। প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম জাফর।  আরও উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ এমদাদুল হক, মলি­ক নওশের আলী, মোল­া মাহাবুবুর রহমান, জয়নাল আবেদীন, শরিফ মোর্ত্তজা আলী, শাহ আলম শেখ, শেখ মঈনুল ইসলাম মোহন, তাইজুল ইসলাম, দোলোয়ার হোসেন, কামাল হোসেন, আলমগীর মলি­ক, শরিফুল ইসলাম, আক্তার হোসেন, সোহাগ হাওলাদার, খন্দকার রফিক, আজীম উদ্দিন, এনামুল হক, নুর ইসলাম, হাই ইসলাম কচি, শাজাহান সিকদার, মোঃ তৈয়ব আলী, ইমরান হোনেস, মোঃ ফিরোজ, প্রশান্ত ঘোষ, মহারাজ, মাহাবুবুর রহমান, সলেমান বেপারী, এস এম নুর মোহাম্মদ টুলু, খোকন শীল কুটি প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
জেলা ও মহানগর জাসদ : দিবসের আলোচনা সভা জাসদের অস্থায়ী কার্যালয়ে শনিবার বিকেল ৩টায় জাসদ জেলা কমিটির সভাপতি শেখ গোলাম মোর্তুজার সভাপতিত্বে ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান মন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়াও গল­ামাড়ী সৃতিসৌধে সকাল সাড়ে ৬টায় মাল্যদান, জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির  সাংগঠনিক সম্পাদক, খালিদ হোসেন, জেলা জাসদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুজিত মলি­ক, নারী জোট খুলনা জেলার সভাপতি এড. রুনা লায়লা, জাতীয় শ্রমিক জোট-বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মোঃ চাঁন মিয়া,যুব জোট জেলা সভাপতি মোঃ সাইদ, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন সেন্টু, মহনগর যুব জোট সভাপতি মাসুদ রানা, সাধারণ সম্পাদক আকবর শেখ, জাসদ নেতা-মোঃ ইমরান, মোঃ হৃদয়, আলী রাজ, মোসারেফ হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সাইকেল স্টান্ট শো : দিবস উপলক্ষে তারুণ্যের বিজয় উল­াসকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে খুলনা সাইক্লিস্ট বিজয় রাইড  অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে মহানগরীর শিববাড়ির মোড়ে দুরন্ত বাইসাইকেলের পৃষ্ঠপোষকতায় এতে ব্যতিক্রমধর্মী সাইকেল স্টান্ট শো করেন সাইক্লিস্টরা। দর্শকের উপস্থিতিতে মনোমুগ্ধকর এই প্রদশর্নীতে সাইকেল নিয়ে তারা নানা ধরনের স্টান্ট প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আ’লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন শহিদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান খুলনা চেম্বার পরিচালক মফিদুল ইসলাম টুটুল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনিসুর রহমান, খুলনা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্না ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন বাদশা। খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার দুই শতাধিক সাইক্লিস্ট র‌্যালিতে রাইডে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সাইক্লিস্টস্টের এডমিন খান সাহেদ, রেজা উর রহমান, সেতু আলম, সৌরভ, অথৈ , হিমেল এবং সাদিক।
ইসলামী আন্দোলন : দিবস উপলক্ষে রূপসা এবং ডুমুরিয়া উপজেলা এবং ইসলামী  ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা ও মহানগরের যৌথ উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে  ভিন্ন ভিন্ন র‌্যালি ও দোয়া অনুুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৪টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রূপসা উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ মোঃ ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মা-ও হারুন অর রশীদ এর পরিচালনায় উপজেলার সেনের বাজার  মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সকল শহিদানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুুষ্ঠিত হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা কার্যলয়ে সকাল ৮টায় উপজেলা শাখা সভাপতি মাওলানা মুঃ বেলাল হুসাইনের সভাপতিত্বে এবং মোঃ ওলিউর রহমানের পরিচালনায় দোয়া অনুুষ্ঠিত হয়।
মহানগর ও জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন : গত শনিবার বিকেল ৩টায় বিজয় র‌্যালিতে জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ আবু রায়হানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা মোঃ আব্দুল­াহ ইমরান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন মহানগর সভাপতি মুহাম্মাদ  মঈন উদ্দিন। বিজয় দিবসে উদ্যাপিত র‌্যালিটি খুলনার পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে শিববাড়ি মোড় চত্বরে থেকে ময়লাপোতা প্রদক্ষিণ করে পাওয়ার হাউজ দলীয় কার্যালয়ে সামনে এসে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টি : দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় গল­ামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্টির মহানগর সভাপতি শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, নারায়ণ সাহা, কমরেড মনির হোসেন, যুব মৈত্রী খুলনা জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সর্দ্দার, যুব নেতা রাইসুল ইসলাম সজল, বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থার নেত্রী তসলিমা হোসেন নদী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
নাইস ফাউন্ডেশন : দিবস পালনের জন্য দৌলতপুরের আড়ংঘাটা বাজারে বর্নাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। র‌্যালি শেষে নাইস স্কুল প্রাঙ্গনে বিদ্যাললেয় ছাত্র-ছাত্রীর চিত্রাঙ্কন, নাচ গান প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নাইস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম মজিবুর রহমান। সভা সঞ্চলনা করেন নাইস ফাউন্ডেশনের রাবেয়া সুলতানা। বক্তৃতা করেন মোঃ জাহিদুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, মোঃ নুর ইসলাম মলি­ক, শিক্ষক মেঘলা শীল, সুন্দা ঘোষ, শিল্পী অধিকারী ও মোঃ বাবলুজ্জামান।
রাইজিং সান হেল্থ ক্লাব : দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয় (খুলনা জেলা পরিষদ চত্বর) থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। র‌্যালির নেতৃত্ব দেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা তালুকদার আব্দুল খালেক।
খুলনা শিশু হাসপাতাল : দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে খুলনা শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগে আগত রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান প্রদান করা হয়। উক্ত ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন খুলনা শিশু হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডাঃ মোঃ কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা শিশু হাসপাতালের হাসপাতালের আরএমও ডাঃ  সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ, আই এম ও ডাঃ আরিফুল কামাল রাসেল, ডাঃ এ, কে, এম মোর্শেদুর রহমান, ডাঃ মোঃ নূর-এ-আলম সিদ্দিকী, ডাঃ মোঃ সাইফুল আরেফিন (টুটুল), ডাঃ এস এম মনিরুল ইসলাম, অন্যান্য কনসালট্যান্ট ও মেডিকেল অফিসারবৃন্দ এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আল-আমিন রাকিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, ডিপ্লোমা নার্সবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ এবং রোগীর অভিভাবকবৃন্দ।
আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ : দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ৯টায়  শিক্ষক পরিষদ, বিভিন্ন বিভাগ ও ইউনিটের পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে উক্ত দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টায় মোস্তাফিজুর রহমান মিলনায়তনে দিবসটির তাৎপর্যের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কার্ত্তিক চন্দ্র মন্ডল। সম্মানিত অতিথি ছিলেন সরকারি ব্রজলাল কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর শিকদার মনিরুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. গাজী মনিবুর রহমান এবং শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক প্রফেসর শেখ রেজাউল করিম।
খুলনা বিভাগীয় বিএসটিআই : দিবস উপলক্ষে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। টুর্নামেন্টে বিএসটিআই খুলনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সেলিম রেজা সহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন। টুর্নামেন্ট খেলায় চ্যাম্পিয়ন হন সহকারী পরিচালক (সি এম) গোবিন্দ কুমার ঘোষ ও সহকারী পরিচালক (মেট্রোলজি) মোঃ কাউসার আলী এবং রানারআপ বিজয়ী হন পরীক্ষক (পদার্থ) রওনক রহমান ও পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মোঃ হাফিজুর রহমান। সবশেষে বিএসটিআই খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সেলিম রেজা সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
সিএসএস খুলনা : দিবস উপলক্ষে গত শনিবার সকাল ৯টায় সিএসএস পরিচালিত সিএসএস নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী এবং হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে দিবস উদ্যাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সিএসএস নার্সিং ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে একটি সু-সজ্জিত শোভাযাত্রা হোম অব জয় স্কুল, বাইবেল কলেজ এবং কুদির বটতলা প্রদক্ষিণ করে হাসপাতালে এসে শেষ হয়। সর্বজনীন প্রার্থনার মধ্য দিয়ে নার্সিং ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স হলে আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিএসএস ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপ্যাল সুষমা রাণী মলি­ক এবং প্রধান অতিথি ছিলেন সিএসএস-এর স্বাস্থ্য পরিচালক  সাজ্জাদুর রহিম পান্থ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রীবৃন্দ, ইন্সট্রাক্টরবৃন্দ, প্রভাষক, নার্সিং ইনস্টিটিউট-ডাঃ তাজবিহা খানম এবং নান্টু গোপাল দে, কো-অর্ডিনেটর কমিউনিটি হেলথ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন নার্সিং ইনস্টিটিউটের স্টুডেন্ট দীপা সরদার এবং সিলসিয়া গাইন।
মিরেরডাঙ্গা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা : দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দোয়া অনুষ্ঠান ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নাছিরুদ্দিন মাদ্রাসার উপ-অধ্যক্ষ মুহাঃ হুমায়ুন, মাওঃ মোঃ শিহাব উদ্দিন, লিয়াকত হোসেন, শেখ শাহিনুল ইসলাম, মোঃ মাছুম বিল­াহ, মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ সালাম গাজী, মোঃ হুমায়ুন কবীর, আলীনুর রহমান, ওয়াহিদা খাতুন, নিগার সুলতানা, শামসুল আলম প্রমুখ।
এ্যাজাক্স ফুটবল ক্লাব : দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, ১ মিনিট নিরবতা পালন এবং ক্রিকেট স্যাডো নাইট টুর্নামেন্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ও খাবার বিতারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শফিকুজ্জামান মিঠু, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ নজরুল, মাঞ্জারুল, মোঃ আবজাল, মোঃ রতন মোল­া, মেমিন মেব্বার, দুলাল, বারেক হাওলাদার মোঃ হানিফ, বিল­াল হোসেন, মোঃ ইব্রাহিম, মোঃ আলী, মোঃ সাইদ, আরো উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি মোঃ রিমন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ সাব্বির আহম্মেদ, রাজু আহম্মেদ, মোঃ সবুজ, মোঃ মাছুদ রানা প্রমুখ।
২নং ওয়ার্ড আ’লীগ : দিবস পালন উপলক্ষে সকাল ৮টায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, মসজিদের দোয়া আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্বে করেন ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম মনিরুজামান মুকুল।
উপস্থিত ছিলেন নগর আ’লীগের সহ-সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, গোলাম মোস্তাফা, থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান, আ’লীগ নেতা শেখ কামাল হোসেন, সাকিল আহম্মেদ, সুরুজ্জামান হানিফ, মনির শিকদার, সেলিম রেজা, সায়েদুর রহমান ওলিয়ার রহমান রাজু, মিজানুর রহমান রূপম, সফিকুজ্জামান মিঠু, ডাঃ মারুফ, কামাল মুন্সি, নাসির উদ্দিন, আব্দুল আওয়াল, রাসেল বেগ, বেগ খালিদ হোসেন বাবু, নিলা নাসির, ইমরান মীর, মোঃ সোহেল, সুমন মুন্সি প্রমুখ।
ইউসেপ খুলনা : দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় ইউসেপ বাংলাদশে খুলনা অঞ্চলের পক্ষ থেকে ইউসেপ মহসিন খুলনা টিভিইটি ইনস্টিটিউট ও ৬টি টেকনিক্যাল স্কুলে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃতি ও নৃত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং প্রাঙ্গন লাল সবুজের মোহনীয় সজ্জায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠে। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউসেফ খুলনা আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (আঞ্চলিক কেন্দ্র, খুলনা) : দিবস উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আঞ্চলিক পরিচালক সেখ সোহেল আহমেদ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সকাল থেকে ঐতিহাসিক ভাষণ ও দেশত্ববোধক গান ও কবিতা আঞ্চলিক কেন্দ্রে বাজানো হয়। সকাল ৮টায় আঞ্চলিক পরিচালকের নেতৃত্বে স্থানীয় স্মৃতিসৌধে খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। ১৫ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত আঞ্চলিক কেন্দ্রে আলোকসজ্জা করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এধরনের আরো সংবাদ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: BD IT SEBA