• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

×
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত রামপালে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মা মেয়ে আহত অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “সবুজ পৃথিবীর সন্ধানে” প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান খুলনায় তিনদিনের কর্মসুচি – শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এঁর ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী খুমেক হাসপাতালের সামনে থেকে ৯টি দেশি অস্ত্র উদ্ধার যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন “ত্রান চাইনা,টেকসই বেড়িবাঁধ চাই”  সরকার জরুরী ভিত্তিতে বেঁড়িবাঁধ সংস্কার করে জলবন্দি মানুষদের মুক্ত করবে-ভুমিমন্ত্রী  ঘূর্নিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় সার্বক্ষণিক পাশে রয়েছেন সরকার-ত্রান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিববুুর রহমান পাউবোর ব্যর্থতায় সহস্রাধিক মানুষের সেচ্ছাশ্রমে মেরামতের পর পরই ভেঙে গেল কয়রার বেঁড়িবাঁধ পরমানু বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়ার জন্মবার্ষিকী খুলনায় ‘দেশের অগ্রগতিতে বিজ্ঞান চর্চা’ শীর্ষক আলোচনা সভা

খুমেকে সরকারী বরাদ্দের কপার—টি প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাৎ

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১০৫ পড়েছেন

নেপথ্যে অসাধু সেবিকা এবং প্রভাবশালী হাসপাতাল সিন্ডিকেট

বাংলাদেশ সরকার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী কপার—টি প্রজেক্টে চালু করে। কিন্তু খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঘটেছে এর ব্যতিক্রম। সেবা দেয়ার বদলে ভুয়া রোগী দেখিয়ে এবং সেবা গ্রহীতাদের প্রাপ্য অর্থ না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন হাসপাতালের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রচার হয়েছে। তবে এ দুর্নিতী উৎঘাটনে এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। এখন ভুক্তভোগিরা নিজেরাই অভিযোগ দায়ের করেছেন।

একটি অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নরমাল ও সিজারিয়ান ডেলিভারি হয়। ডেলিভারি করার সময় হাসপাতালের নার্স ও ডাক্তারদের পরামর্শ মোতাবেক পরিবার— পরিকল্পনা পদ্ধতির কপার—টি গ্রহণ করানো হয় রোগীদের। কিন্তু পরিবার—পরিকল্পনা পদ্ধতির কপার—টি গ্রহণের পর নিয়মানুযায়ী আর্থিক বরাদ্দের অর্থ পায়নি সেবাগ্রহণকারীরা। এই অর্থ বরাদ্দের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেবিকারা সেবা গ্রহণকারীদের সরকারি বরাদ্দের টাকা বুঝিয়ে দেয়নি। অন্যদিকে বরাদ্দের অর্থ নেই বলে তাড়িয়ে দেয়া হয় সেবাগ্রহীতাদের। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে কয়েকজন গত ১৬ অক্টোবর’২৩ সংবাদ পত্রে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে কপার—টি প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা জানতে পেরে লিখিত অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। অভিযোগ দায়েরের অর্থ আত্মত্মসাতের সাথে জড়িতরা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচে ছ। অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য কতিপয় সেবিকারা অভিযোগ পত্রের সূত্র ধরে অভিযোগকারীদের সাথে দেখা করে অর্থ বুঝিয়ে দিয়ে তাদের কাছে থেকে লিখিত নিয়ে নেন। বিষয়টি যেনো তদন্ত করে কোন সুরাহা না হয়, সে জন্য নানান কৌশল অবলম্বনের ফন্দি করেছে অর্থ আত্মসাৎকারীরা। তথ্য সূত্রে, জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ২২৪ জনকে সেবাগ্রহীতা দেখিয়ে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা তুলে নেন দায়িত্ব প্রাপ্ত সেবিকারা। যার মধ্যে যাচাই—বাছাইয়ে অনেক ভুয়া সেবা গ্রহীতা রয়েছে, যাদের অনেক নাম এবং ফোন নাম্বারের বাস্তবে অস্তিত্ব নেই। অনেকে আবার কতিপয় সেবিকাদেরই সাজানো ভুয়া সেবা গ্রহীতাদের আত্মত্মীয়—স্বজন। কপার—টি প্রজেক্টের অর্থ বরাদ্দের নিয়মানুযায়ী, কপার—টি গ্রহনকারী প্রথম ১৭৩ টাকা তাৎক্ষণিক প্রাপ্ত হবেন। ১৫ দিন পরে ফলোআপের জন্যে হাসপাতালে গেলে ৮১ টাকা পাবেন। এভাবে তিনি ৬ মাস ও ১২ মাস পরে আরও দুটি চেকআপ নিতে পারবেন। চেকআপের সময় ৮১ টাকা করে প্রাপ্ত হবেন। এছাড়া আইইউডি প্রয়োগকারী চিকিৎসক ২০০ টাকা, সহায়তাকারি ৪০ টাকা, প্রয়োগকারি নার্স ৬৯ টাকা ও সেবা গ্রহিতাকারীকে আনয়নকারী ৫৮ টাকা তাক্ষণিক প্রাপ্ত হবেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পরিবার পরিকল্পনা স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদি কার্যক্রমের আওতায় ক্লিনিক্যাল কন্ট্রসাসেপশন সার্ভিসেস ডেলিভারী প্রোগ্রাম প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। এর প্রকল্পের অন্যতম একটি কার্যক্রম হল মহিলাদের জরায়ুতে স্থাপন উপযোগী দীর্ঘ মেয়াদী অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (আইইউডি) কপার—টি ব্যবহার করা। এ সেবা গ্রহন ও সেবা প্রদানে সহায়তাকারীদের জন্য দেয়া হয় আর্থিক বরাদ্ধ। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০২১—২২ অর্থ বছর থেকে এ প্রকল্প শুরু হয়। ২০২২—২৩ অর্থ বছরে ৪ লাখ টাকা বরাদ্ধ হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এধরনের আরো সংবাদ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: BD IT SEBA