• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন

×
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত রামপালে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মা মেয়ে আহত অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “সবুজ পৃথিবীর সন্ধানে” প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান খুলনায় তিনদিনের কর্মসুচি – শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এঁর ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী খুমেক হাসপাতালের সামনে থেকে ৯টি দেশি অস্ত্র উদ্ধার যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন “ত্রান চাইনা,টেকসই বেড়িবাঁধ চাই”  সরকার জরুরী ভিত্তিতে বেঁড়িবাঁধ সংস্কার করে জলবন্দি মানুষদের মুক্ত করবে-ভুমিমন্ত্রী  ঘূর্নিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় সার্বক্ষণিক পাশে রয়েছেন সরকার-ত্রান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মহিববুুর রহমান পাউবোর ব্যর্থতায় সহস্রাধিক মানুষের সেচ্ছাশ্রমে মেরামতের পর পরই ভেঙে গেল কয়রার বেঁড়িবাঁধ পরমানু বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়ার জন্মবার্ষিকী খুলনায় ‘দেশের অগ্রগতিতে বিজ্ঞান চর্চা’ শীর্ষক আলোচনা সভা

আত্মগোপনে রাজাকার শফিউল্লাহ খোকন

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৮ পড়েছেন

সুন্দরবনের দুবলার আতঙ্ক শফিউল্লাহ খোকন রাজাকার আত্মগোপনে রয়েছেন।
খান শফিউল্লাহ খোকন (৭৩) ওরফে ‘রাজাকার খোকন’। চার দশকে হয়ে উঠেছেন সুন্দরবনের দুবলার চর মৎস্যপল্লির অঘোষিত রাজা। প্রভাব আর আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে নিরীহ জেলেদের শাসন ও শোষণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অর্থবিত্তে ফুলেফেঁপে উঠেছেন। দীর্ঘদিন চরে দোর্দন্ড দাপট দেখালেও হঠাৎ আত্মগোপনে চলে গেছেন তিনি। যুদ্ধাপরাধ মামলা থেকে রেহাই পেতে উচ্চ মহলে তদবির চালাচ্ছেন বলে ভাষ্য অনেকের। আত্মগোপনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের ভাষ্য, যুদ্ধাপরাধ মামলার তদন্ত শুরু হওয়ায় পালিয়েছেন খোকন। তিনি খুলনার রূপসা উপজেলার দেয়ারা এলাকার বাসিন্দা।
দুবলার চরের জেলে ও শুঁটকি ব্যবসায়ী গাজী রহমান, কেরামত মল্লিক ও বোরহান গাজীর দাবি, যুদ্ধাপরাধের তদন্তের খবর পেয়ে খোকন চর ছাড়ায় স্বস্তি ফিরেছে জেলেপল্লিতে। দু’দিন ধরে মিষ্টি বিতরণ হয়েছে। তার বিচার চেয়ে মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ভুক্তভোগীসহ সংশ্লিষ্টরা। দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাসের খবর তিনি শুনেছেন।
মামলার বাদী, সাক্ষী, চরের মৎস্য ব্যবসায়ী নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ অন্তত ১৩ জনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রজীবনে ন্যাশনাল স্টুডেন্ট ফ্রন্টের (এনএসএফ) সক্রিয়কর্মী ছিলেন শফিউল্লাহ খোকন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ১৯৬৮-১৯৬৯ সালে খুলনায় মুসলিম রীগের প্রভাবশালী নেতা খান এ সবুর এর লাঠিয়াল বাহিনীর প্রভাবশালী সদস্যহন খোকন। এরপরই শুরু হয় খোকনের শাসন ও শোষণ। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর খোকন ভারতে পালিয়ে যায়। দু’বছর আত্মগোপনে থাকার পর দেশে ফিরে বটিয়াঘাটা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন সে। ১৯৮৩-৮৪ সালে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অবঃ) জিয়াউদ্দিনের পাশাপাশি দুবলার চরে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। কিন্তু মেজর (অবঃ) জিয়া জানতেন না খোকন রাজাকার ছিলো। চরের জেলেরা জানান, খোকন দাদনের নামে নিরীহ জেলেদের ঠকিয়ে
হয়েছেন কোটি টাকার মালিক, হন প্রভাবশালী। জেলে ও ব্যবসায়ীদের ভয় দেখাতে ২০০২ সালে ক্রস ফায়ারে নিহত আছাদুজ্জামান লিটুকে ভাড়া করে নিয়ে যান। দুবলার মেহেরআলী খালে বর্ষামৌসুমে অবস্থানরত ইলিশজেলে ও মৎসজীবীদের উপর হামলা করে চরের ব্যবসা দখল করে নেন খোকন। জেলেদের ওপর হামলা চালিয়ে মেহের আলীর চরের ব্যবসা দখলে নেন। এর আগেই আলোরকোল চরের অধিকাংশ ব্যবসা তার দখলে নেন। শীত মৌসুমে আলোরকোলে অবস্থানরত জেলে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্য খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ সিকদারকে মাঝে মাঝে দুবলায় নিয়ে যেত। এরপর নির্যাতন চালিয়ে হয়ে ওঠেন আতঙ্কের নাম। এসব বিষয়ে আত্মগোপনে থাকা খান শফিউল্লাহ খোকনের বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন নম্বরে কল করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়। খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর সাড়া মেলেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এধরনের আরো সংবাদ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: BD IT SEBA